মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

পূর্ববতী মামলার রায়

 

মামলার রায়

 

বাদী

নাম- মশিহর রহমান

পিতার নাম- মৃত. তমিজ উদ্দীন

সাং- ছোট কামাত

বনাম

বিবাদী

নামঃ ১। মোঃ আব্দুল  জলিল, ২। মনু মিয়া, ৩। খোকন মিয়া, পিং আব্দুল আজিজ, ৪। সুরজাহান, জং- আজিজ, সাং- ছোটকামাত।

 

মোকদ্দমা নং ২৭/১২

আদেশ নং

আদেশের তারিখ

আদেশের বিবরণ

 

মমত্মব্য

০৫

১২/০৬/১৩খ্রি.

অদ্য মোকদ্দমাটি চুড়ামত্ম নিস্পত্তির জন্য নথি উপস্থাপন করা হইল। বাদী পক্ষ তাহার প্রতিনিধিসহ হাজির। বিবাদীগণ গড় হাজিরা সদস্যদের দেওয়া প্রতিবেদন আদালতে আংশিক ভাবে পাওয়া গেল। সদস্যদের মধ্যে একজন সদস্য জানায় খয়রম্নল হক সাহেব বিবাদী পক্ষেরর দলিলের মূল কপি না পাওয়ায় তাহা দিনাজপুর ফুল বাড়ী অফিসে বালাম বহি তলস্নাশীর জন্য খয়রম্নল হক সদস্য সাহেব সংগে নিয়ে যাওয়ার কথা। কিন্তু বিবাদীর মধ্যে কোন রকম তৎপরতা নাই। বলিয়া সদস্য সহেব আদালতকে অবহিত করেন। বাদীর প্রতিনিধি বক্তব্য শোনা হইল। বাদীর দাখিল কৃত দলিল নং ১৮৪৯ তারিখ ২৯/০১/১৯৭৪খ্রি. দাতা হাফিজ উদ্দীন , পিতা-মৃত. জামাত আলী, ক্রেতা ১। মোঃ রফিজ উদ্দীন, ২। মোঃ তমিজ উদ্দীন উভয়ের পিতা- মৃত সাবির উদ্দীন, সাং- ভিতরগড়, ছোটকামাত। তফশিল মৌজা- সোনার বান, জে.এল নং ০৮, খতিয়ান নং- সাবেক ৩০৬, হাল২৫ নং দাগ নং সাবেক ২৩১ হাল ৩৯৮ জমির পরিমাণ ২.০৪একর ও সাবেক ২৪৫ হাল ৪০৯ দাগে .৫৯শতক মোট দুইটি দাগে ২.৬৩ এর মধ্যে ১.৩১(এক একর সাড়ে একত্রিশ) শতক জমি বিক্রিত। অপর দিকে বিবাদী পক্ষের একখানা দলিল পাওয়া গেল যাহার নং ৩৬৫২, তাং ১৯/০৫/১৯৬৮( ফটোকপি) সাব রেজিষ্টারী অফিস ফুল বাড়ী ও পঞ্চগড়। তফশিলঃ মৌজা-সোনারবান, খতিয়ান নং সাবেক ২৫ দাগ নং সাবেক হাল দাগ ৩৯৮ জমির পরিমাণ ২.০৪শতক জমির মধ্যে .৫০(পঞ্চাশ) শতক বিক্রিত। অত্র দুইটি দলিল অত্রাদালতে পাওয়া গেল। বাদীর প্রতিনিধি জানান যে, উলেস্নখ্য ৩৬৫২ নং দলিলটি তদানিমত্মন পূর্ব পাকিসত্মান আমলে ফুল বাড়ী থানায় রেজিষ্টারী হওয়া কখনো সম্ভব নহে। যাহা জেলা রেজিষ্টারী অফিস দিনাজপুরে তলস্নাশী দিয়া দেখা হইয়াছে এবং জানা গেছে যে, উলেস্নখ্য ৩৬৫২নং দলিল যাহার তারিখ ১৯/০৫/১৯৬৮খ্রি. উক্ত নং দলিল কোথাও রেজিষ্টারী হয় নাই বা বালাম বহি, ইনডেক্স ও ভলিউম বহিতে পাওয়া গেল না। তাহা ছাড়া বিবাদীর পিতা আঃ আজিজ যাহার নামে দলিল সেই ব্যক্তির পূর্ব বাড়ী কুমিলস্না পরে তিনি পঞ্চগড়ে আসেন। সেই হেতু রেজিষ্টারী হইলে হয়তবা কুমিলস্নায় অথবা পঞ্চগড় ছাড়া ফুল বাড়ী থানায় রেজিষ্টারী হওয়ার কোন যুক্তি যুক্ত কারণ আছে বলিয়া মনে হয় না। সুতরাং এ ব্যাপারে যথেষ্ট সন্দেহের কারণ থাকতে পারে।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

চলমান

মোকদ্দমা নং ২৭/১২

আদেশ নং

আদেশের তারিখ

আদেশের বিবরণ

 

মমত্মব্য

 

ইজা

উভয় দলিল দুইটি পর্যলোচনা করা হইল। সদস্য সাহেবদের উপর অর্পিত দায়িত্ব সর্ম্পকে অবগত হওয়া গেল। সদস্য খয়রম্নল হকের প্রতিবেদন দেখা হইল। বিবাদী গণ আদালতে অনুপস্থিত। বিবাদীগণেল নিকট হইতে ৩৬৫২ নং দলিলের মূল কপি চাওয়া হইলে বিবদীগণ মূল কপি দেখাতে পারেন নাই। সদস্য সাহেবকে বালাম বহি যাচাই করার জন্য সদস্য সাহেব গণ দায়িত্ব দিলে বিাবদীগণ তাহাতেও ব্যর্থ হইয়াছেন। সমূহ দিক পর্যালোচনা করিয়া দেখা হইল যে, কোন কারণ ছাড়াই ফুল বাড়ীতে জমি রেজিষ্টারী একটি প্রহশন মূলক কাজ বটে। উক্ত দলিলটি কারসাজি মূলক হইতে পারে। সুতরাং আদেশ হইতেছে যে,

১নং অমরখানা ইউনিয়ন পরিষদ গ্রাম আদালত।

(নং ফরমের) মামলা নং ২৭/১২

বাদী মোঃ মশিহর রহমান আবেদন কারী

                      বনাম

মোঃ আব্দুল জলিল সহ গং ০৪জন প্রতিবাদী

অদ্য আবেদন পত্রখানি চুড়ামত্ম নিস্পত্তির জন্য আদালত সম্মুখে উপস্থাপন হওয়ায় আদালত এই আদেশ দিতেছে যে, মোকদ্দমাটি যেহেতু জমি বিষয়ক এবং উহা দেওয়ানিয়া  আদালতের এখতিয়ার ভূক্ত। সেই প্রেক্ষিতে অত্র আদালত উর্দ্ধতন আইন আদালতের মাধ্যমে নিস্পত্তির জন্য বাদী পক্ষকে বলা হইল। তৎসঙ্গে যাহাতে কোন প্রকার অপ্রতিকর ঘটনা না ঘটে সেই দিকে সজাগ থাকার জন্য বাদী পক্ষকে বলা হইল।

 

১। মোঃ ফজলুল হক (সদস্য, ইউপি)

২। মোঃ আব্দুস সামাদ (পাবলিক সদস্য)

 

 

 

মোঃ নুরম্নজ্জামান

চেয়ারম্যান

১নং অমরখানা ইউনিয়ন পরিষদ

পঞ্চগড় সদর, পঞ্চগড়

 

 

 

 

সংযুক্তি